রাউটারের ৪ কনফিগারেশন বদলালে ওয়াই-ফাই হবে মসৃণ

Staff Reporter

নিজস্ব প্রতিবেদক

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১৫:২০

রাউটারের ৪ কনফিগারেশন বদলালে ওয়াই-ফাই হবে মসৃণ
ছবি : টাইমস অব ইন্ডিয়া

ধীর ওয়াই-ফাই অনেক সময় ভিডিও কল, স্ট্রিমিং বা ফাইল ডাউনলোডে সমস্যা তৈরি করে। অনেকেই মনে করেন সমস্যা তাদের ইন্টারনেট সেবাদাতা বা স্পিড প্ল্যানে, কিন্তু প্রকৃত সমস্যা প্রায়ই ঘরে, রাউটারের সেটিংসেই লুকিয়ে থাকে। ছোট কিছু পরিবর্তনই ওয়াই-ফাইকে দ্রুত, স্থিতিশীল এবং মসৃণ করতে পারে।

ওয়্যারলেস চ্যানেল পরিবর্তন করুন

আধুনিক রাউটার একাধিক চ্যানেলে কাজ করে, কিন্তু অনেক ডিভাইস স্বয়ংক্রিয় চ্যানেল নির্বাচন থাকে। জনবহুল এলাকায় একাধিক নেটওয়ার্ক একই চ্যানেলে থাকলে সংযোগে বাধা আসে। রাউটারের সেটিংসে লগ-ইন করে কম ব্যস্ত চ্যানেল ব্যবহার করুন। চ্যানেলের প্রস্থও গুরুত্বপূর্ণ। ৮০ বা ১৬০ মেগাহার্জের চ্যানেল দ্রুততা বাড়ায়, কিন্তু ২০ বা ৪০ মেগাহার্জের চ্যানেল সংযোগকে আরও স্থিতিশীল রাখে।

গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস অগ্রাধিকার দিন

কিউওএস বা কোয়ালিটি অব সার্ভিস ডিভাইসগুলোর ব্যান্ডউইথ বণ্টন নির্ধারণ করে। ধীর ডিভাইস যেমন স্মার্ট লাইট বা প্লাগ প্রধান ডিভাইসের সংযোগকে ধীর করতে পারে। কিউওএস ব্যবহার করে গেমিং, টিভি বা ল্যাপটপের মতো ডিভাইসকে অগ্রাধিকার দিন। কিছু রাউটারে এয়ারটাইম ফেয়ারনেস ফিচার থাকে, যা সক্রিয় ডিভাইসকে পর্যাপ্ত ব্যান্ডউইথ দেয়।

রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট করুন

পুরনো ফার্মওয়্যার নেটওয়ার্ককে অস্থিতিশীল বা নিরাপত্তাহীন করে তুলতে পারে। অনেক ব্যবহারকারী মনে করেন ইন্টারনেট সেবাদাতা আপডেট দেয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে রাউটার নিজেই পুরনো ফার্মওয়্যারের ওপর চলতে পারে। নতুন ফার্মওয়্যার ইনস্টল করলে সংযোগ স্থিতিশীল হয় এবং নিরাপত্তা বাড়ে।

কাস্টম ডিএনএস সার্ভার ব্যবহার করুন

সাধারণত রাউটার আইএসপির ডিএনএস সার্ভার ব্যবহার করে। অন্য ডিএনএস ব্যবহার করলে পেজ লোড দ্রুত হয় এবং ব্রাউজিং আরও নিরাপদ হয়। স্থানীয় ডিএনএস সার্ভার ব্যবহার করলে নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় এবং সংযোগ প্রতিক্রিয়াশীল হয়।

নতুন রাউটার কিনতে না গিয়ে মাত্র এই চারটি কনফিগারেশন বদলালেই ওয়াই-ফাই অনেক দ্রুত, স্থিতিশীল এবং মসৃণ হয়ে উঠতে পারে।

টেকওয়ার্ল্ডের আপডেটেড খবর পেতে WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন