princekanch
(Junior Member)
**

Registration Date: 28-09-2022
Date of Birth: Not Specified
Local Time: 29-04-2026 at 03:07 PM
Status: Offline

princekanch's Forum Info
Joined: 28-09-2022
Last Visit: 6 hours ago
Total Posts: 28 (0.02 posts per day | 0 percent of total posts)
(Find All Posts)
Total Threads: 1 (0 threads per day | 0 percent of total threads)
(Find All Threads)
Time Spent Online: 5 Days, 20 Hours, 40 Minutes
Members Referred: 0
Total Likes Received: 19 (0.01 per day | 0 percent of total 3452083)
(Find All Threads Liked ForFind All Posts Liked For)
Total Likes Given: 40 (0.03 per day | 0 percent of total 3412888)
(Find All Liked ThreadsFind All Liked Posts)
Reputation: 1 [Details]

princekanch's Contact Details
Email: Send princekanch an email.
Private Message: Send princekanch a private message.
  
princekanch's Most Liked Post
Post Subject Numbers of Likes
তিয়াসের তৃষ্ণা 5
Thread Subject Forum Name
তিয়াসের তৃষ্ণা Bengali Sex Stories
Post Message
অন্যান্য সপ্তাহের মতন তিয়াস ব্যারাক স্টেশনে এসে হাজির হয়েছে। সপ্তাহের শেষে বাড়িতে ছুটি কাটাবার পর এই সোমবারের সকালটা তিয়াসের কাছে অত্যন্ত অপছন্দের। ছ'মাস হল এই চাকরি টা জয়েন করেছে। এই বাজারে এত কম বয়সে সরকারি চাকরি সবার ভাগ্যে জোটে না সে দিক থেকে দেখতে গেলে ও নিজেকে ভাগ্যবান বলেই মনে করে কিন্তু দুঃখের মধ্যে এটাই পোস্টিং হয়েছে সুদূর বহরমপুরে। প্রতিদিন যাতায়াত করা সম্ভব না। শুক্রবার করে বাড়ি ফেরে আর এই সোমবার আবার ভোরবেলায় বেরিয়ে পড়া। স্টেশনে এসে দেখল প্রচন্ড ভিড়। অবশ্য কয়েক সপ্তাহ ধরে ই ভিড় টা খুব হচ্ছে সামনে ঈদ দেশের নানা প্রান্ত থেকে মুর্শিদাবাদের শ্রমিকরা বাড়ি ফিরছে। গেল সপ্তাহে তৎকালে রিজার্ভেশন পেয়েছিল এবার ভাগ্যে সেটাও জোটেনি। সেই কাকভোরে উঠে রেডি হয়ে গঙ্গা পেরিয়ে আসতেই অর্ধেক এনার্জি চলে যায়। আজ ও ধরেই নিয়েছে। বসার জায়গা পাবে না ভাগ্য ভালো থাকে তাহলে দাঁড়াতে পারলেই হলো।
সাতটা পনেরো বেজেছে ট্রেন অ্যানাউন্স হয়ে গেল প্লাটফর্মে থিক থিক করছে ভিড়। ট্রেন আস্তে কোনমতে লাফিয়ে শরীরটাকে কামরার ভেতর ঢুকিয়ে দিল। কিন্তু তাতে কি হবে বসার জায়গা একটাও খালি নেই ইতিমধ্যেই অনেক লোক দাঁড়িয়ে আছে। 
ঢুকতে পারল না দাঁড়িয়ে পড়তে হলো, যাই হোক দাঁড়ানোর জায়গা তো পাওয়া গেছে এই ভেবেই নিজেকে স্বান্তনা দিল।
ট্রেন চলতে শুরু করেছে রানাঘাট আস্তে আস্তে ভিড়টা আরো বেড়ে গেল। 
এমন সময় ওর মনে হল কেউ যেন ওর পিছনে দাঁড়িয়ে এই ভীড় থেকে ওকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে।
পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখলো প্রায় ছ ফুট লম্বা দশাশ‌ই চেহারার এক লোক। 
'কতদূর যাবে ?' চোখাচোখি হতেই লোকটা জিজ্ঞাসা করল।
বহরমপুর, আপনি?
আমিও, তা এইসময় হঠাৎ বহরমপুরে?
চাকরি করি, আপনি?
অফিসের কাজে, কপালটাই খারাপ কাল রাতে ড্রাইভারের জ্বর। অগত্যা। বলে ভদ্রলোক প্রায় হেসে উঠলেন।
কৃষ্ণনগর এসে গেছে ভীড় আরো বাড়ছে। লোক টা তিয়াসের আরো কাছে সরে এসেছে। লোকটার নিঃশ্বাস তিয়াস অনুভব করতে পারছে ঘাড়ের উপর। 
অফিস কী বহরমপুরেই
হুম, ছোট্ট করে উত্তর দিল তিয়াস। আসলে ওর ঠিক উত্তর দিতে ইচ্ছে করছে না। লোকটার গায়ের গন্ধ, মুখ থেকে ভেসে আসা কড়া সিগারেটের গন্ধে ও নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না। মাঝেমধ্যেই পেছনে যে শক্ত জিনিসটার অনুভব হচ্ছে সেটা বাকি রাস্তা ওর সাথে চেপে থাকুক। এটাই অবচেতনে ওর মনে খেলছে। বেথুয়া চলে এসেছে, আর এক ঘন্টা। তিয়াস নিজেকে একটু সরাবার চেষ্টায় পেছন দিয়ে চেপে ধরল শক্ত জিনিসটা।
ভালো লাগছে? পিছন থেকে হালকা স্বরে আওয়াজটা এলো। 
ঘাড় মেরে সম্মতি জানালো তিয়াস। জিনিসটা আরও শক্ত হয়ে যাচ্ছে এমন সময় একটা হাত ওর বাঁদিকে বুকের কাছে চলে এসেছে হালকা করে কিন্তু খুব কঠোর চাপ নিজেকে এলিয়ে দিতে মন চাইছে। 
আপনি কি আজকেই ফিরে যাবেন।
সেরকম ইচ্ছে আছে তবে কাজের উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে কোর্টের কাজ কতক্ষণে শেষ হয় তার তো গ্যারান্টি নেই। তা তুমি থাকো কোথায়। 
সরকারি আবাসন 
বেশ ভালো তো তা থাকা কি একাই হয় 
হ্যাঁ আমি একাই থাকি। 
বুকের থেকে হাতটা নেমে এসে ওর তলপেটের কাছে ঘুরে বেড়াচ্ছে পিয়াস চাইছে হাতটা আরেকটু নিচে নেমে ওর ছোট্ট লিঙ্গটাকে চেপে ধরুক। 
তাহলে তো বেশ ভালো যদি দেরি হয় তোমার ঘরে এক রাতের অতিথি কি আমায় করবে। 
লোকটার ধন এতক্ষণে ফুলে পূর্ণ আকার নিয়েছে। হাতটা আরেকটু নিচে সরে এসে প্যান্টের চেইন টা খুলে ভেতরে ঢুকে গেছে। ট্রেনের মধ্যে যে এত লোক আছে যে কেউ দেখে ফেলতে পারে সেসব পিয়াসের মাথায় একদম নেই। কোন কথা না বলে ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালো। 
ট্রেন বেলডাঙা ছেড়েছে পরের স্টেশনে নেমে যেতে হবে। 
এই দেখো এতক্ষণ কথা হলো অথচ তোমার নামটাই জানা হলো না, আমি রাজেন ঘোষ। 
তিয়াস রায়।
হাতটা জাঙ্গিয়ার ভেতর ঢুকে ভেতরে বিলি কাটছে যেন বাঘ তার শিকারকে ধরে ফেলেছে।
ফোন নাম্বারটা বল। হাতটা বেরিয়ে এলো সযত্নে চেনটা লাগিয়ে দিল। 
নামতে নামতে টিয়াস নিজের ফোন নাম্বারটা বললো। 
ট্রেন থেকে নেমে পিয়াস কিন্তু লোকটাকে আর খুঁজে পেল না। সময় নেই অফিসের তারাও আছে। ভিড়ের মধ্যে হাঁটা লাগালো বেরোনোর পথের উদ্দেশ্যে। 
আজ অফিসে কোন মতেই মন বসছে না। বড়বাবুর দুটো ফাইল দিয়ে গেছেন সেই সকালে একটা ফাইল হাতে নিয়ে দেখার চেষ্টা করেছে কিন্তু কিছুতেই মন লাগাতে পারছে না বারবার মনে হচ্ছে ফোন নাম্বারটা তো দিলাম। ফোন কি আসবে। দুপুরে লাঞ্চ করার পরে মনে হয়েছিল একবার বাথরুমে গিয়ে নিজেকে হালকা করে আসতে। কিন্তু কোথায় যেন মনে হচ্ছিল না আজ এভাবে নয় অন্য কারুর কাছে নিজের সব হারাবে। 
দেখতে দেখতে ঘড়ির কাঁটা চারটে পৌঁছে গেছে। বড়বাবু দুবার উঁকি মেরে গেছেন। ভদ্রলোকের আবার বাড়ি ফেরার তাড়া। কি বা করবেন চাকরির বছর দুয়েক বাকি বাড়িতে এক অসুস্থ স্ত্রী ছাড়া আর কেউ নেই। একটু আগে বাড়ি পৌঁছতে পারলে ভালো হয়। টেবিলের উপরে রাখা বেলটা চাপ দিল। 
বড় বাবু যেন এর জন্যই বসে ছিলেন, স্যার কিছু বলছেন ফাইল দুটো দেখা হয়ে গেছে। 
না বড়বাবু  আজ শরীরটা বড্ড ম্যাজম্যাজ করছে কাল দেখবো আজ বরং উঠি। 
ব্যাগটা পিঠে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল অফিস থেকে কোয়াটার খুব একটা বেশি দূরে নয়। এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো। আননোন নাম্বার। বুকটা ছ্যাৎ করে উঠলো। কি চিনতে পারছ 
পিয়াস কি উত্তর দেবে বুঝে উঠতে পারছে না। 
আমার আর আজ বাড়ি ফেরা হলো না, তোমার আপত্তি যদি না থাকে তাহলে তোমার ফ্ল্যাটেই যাচ্ছি। 
আসুন, লালদীঘি আবাসন বি ১২।
গুড বয়, আধ ঘন্টার মধ্যে আসছি, রেডি থেকো। 
ফোনটা কেটে গেল। তিয়াসের পা আর চলছে না। উত্তেজনার বসে সেকি ঠিক করলো। মনের ভিতর থেকে কে যেন বলছে ফোন করে না আসতে বলে দিতে কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও ফোনটা আর করা হলো না।