দেশি লাল চিনি আসলে কী জিনিস? বাংলাদেশে এই নামে কয়েক ধরনের পণ্য পাওয়া যায়।কিছু ক্ষেত্রে এটা কম প্রক্রিয়াজাত আখের চিনি। এর রং সাদা না হয়ে লালচে-বাদামি হয়। অনেক সময় সাদা চিনির সাথে গুড় বা মোলাসেস মিশিয়ে বানানো হয়। এতে ব্রাউন সুগারের মতো দেখতে লাগে।কিছু ব্র্যান্ড দাবি করে তাদের লাল চিনিতে খনিজ থাকে। ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, এসব নাকি থেকে যায়। তাই এটা নাকি বেশি স্বাস্থ্যকর।অনেকেই চা-কফিতে, পায়েসে, পিঠায় এটা ব্যবহার করেন। তারা মনে করেন দেশি চিনি ডায়াবেটিসের জন্য কম ক্ষতিকর। কিন্তু শুধু রং বা নাম বদলালেই কি গুণাগুণ বদলে যায়?সতর্কতা: বাজারে অনেক ভেজাল লাল চিনি পাওয়া যায়। সাদা চিনিতে কৃত্রিম রং মিশিয়ে বানানো হয়। "দেশি" বা "খাঁটি" লেখা দেখেই বিশ্বাস করবেন না।OSCO Brand মানসম্পন্ন দেশি লাল চিনি সরবরাহ করে। তবে মান ভালো হলেও, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটা নিরাপদ কিনা, সেটাই আসল প্রশ্ন।
OSCO Brand-এর চাল কি রাসায়নিকমুক্ত?+
হ্যাঁ, OSCO Brand-এর চাল সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত। আমরা বিশ্বাস করি যে খাঁটি ও প্রাকৃতিক খাবারই পারে একটি সুস্থ পরিবার গড়ে তুলতে। তাই OSCO Brand শুরু থেকেই রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদানমুক্ত চাল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করে আসছে।
লাল মুড়ি আর সাদা মুড়ির মধ্যে পার্থক্য কী?+
লাল মুড়ি তৈরি হয় লাল চাল থেকে এবং সাদা মুড়ি তৈরি হয় পলিশড সাদা চাল থেকে। লাল মুড়িতে ফাইবার, আয়রন ও ভিটামিন বি অনেক বেশি থাকে। সাদা মুড়িতে প্রক্রিয়াজাতকরণে এই পুষ্টিগুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়।