৯৮% মানুষ জীবনে পিছিয়ে পড়ার জন্য পরিস্থিতি, পরিবার বা ভাগ্যকে দোষ দেয়। টপ ২% মানুষ জাস্ট এই ৩টা রুল মেনে গেম চেঞ্জ করে: ১. ভিকটিম মাইন্ডসেট থেকে বেরিয়ে আসো। তোমার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তুমি হয়তো দায়ী না, কিন্তু সেটা পরিবর্তন করার দায়িত্ব ১০০% তোমার। ২. অভিযোগ করা বন্ধ করো। যে এনার্জি আর সময়টা কমপ্লেইন করতে নষ্ট করছো, সেটা নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্টে কাজে লাগাও। ৩. শর্টকাট বা রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তা বাদ দাও। সাকসেস ওভারনাইট আসে না, এর পেছনে মাসের পর মাস সাইলেন্ট হার্ডওয়ার্ক থাকে।
About us
Provide personalized learning, develop skills, and empower individuals to kick-start their careers.
- Website
-
http://programming-hero.com/
External link for Programming Hero
- Industry
- E-Learning Providers
- Company size
- 51-200 employees
- Headquarters
- Dhaka
- Type
- Educational
- Founded
- 2017
- Specialties
- web development, Edtech, Staffing Web Developer, and hire web developer
Locations
-
Primary
Get directions
Dhaka, 1213, BD
Employees at Programming Hero
Updates
-
কিবোর্ডে Enter চাপলেন, আর চোখের পলকেই স্ক্রিনে হাজির আস্ত একটা ওয়েবসাইট! ম্যাজিক মনে হলেও এর পেছনে কয়েক মিলি সেকেন্ডে ঘটে যায় এক রুদ্ধশ্বাস টেকনিক্যাল দৌড়ঝাঁপ। চলুন শর্টকাটে জেনে নিই সেই পর্দার পেছনের গল্প। ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে ওয়েবসাইটের নাম লেখার পরপরই ব্রাউজার তার মেমোরি বা ক্যাশে খোঁজে এর আসল ডিজিটাল ঠিকানা বা আইপি অ্যাড্রেস। সেখানে না পেলে সে দৌড়ে যায় ইন্টারনেটের ফোনবুক খ্যাত ডিএনএস সার্ভারের কাছে। বিভিন্ন সার্ভারের হাত ঘুরে অবশেষে ওয়েবসাইটের আসল আইপি অ্যাড্রেসটি ব্রাউজারের কাছে ফিরে আসে। ঠিকানা পাওয়ার পর ব্রাউজার আর সার্ভারের মাঝে শুরু হয় ডেটা আদান-প্রদানের জন্য একটি বিশ্বস্ত ও সুরক্ষিত কানেকশন তৈরির প্রক্রিয়া, যাকে বলা হয় TCP 3-way Handshake। কানেকশন তৈরি হতেই ব্রাউজার সার্ভারের কাছে ওয়েবসাইটের ডেটা চেয়ে একটি রিকোয়েস্ট পাঠায়। সার্ভার তখন তার ডাটাবেস ঘেঁটে প্রয়োজনীয় HTML, CSS ও অন্যান্য ফাইলগুলো ব্রাউজারের কাছে পাঠিয়ে দেয়। সার্ভার থেকে পাওয়া এই কাঁচা কোডগুলোকে সুন্দর একটি পেজে রূপান্তর করার কাজটাই করে ব্রাউজারের রেন্ডারিং ইঞ্জিন। সে কোডগুলো পড়ে হিসাব-নিকাশ করে ফেলে যে, স্ক্রিনের ঠিক কোথায় কোন লেখা বা ছবি বসবে। এরপর পিক্সেলগুলোতে রং চড়িয়ে মুহূর্তের মধ্যেই আপনার সামনে পুরো ওয়েবপেজটি দৃশ্যমান করে তোলে। আর ইন্টারনেটের বিশাল দুনিয়ার এই পুরো কর্মযজ্ঞটি ঘটে আপনার চোখের পলক ফেলার আগেই!
-
-
৯৯% মানুষের সকাল শুরু হয় অন্যের লাইফের আপডেট দেখে, আর দিনশেষে নিজের লাইফের কোনো আপডেট থাকে না! সস্তা ডোপামিনের ফাঁদ থেকে বের হয়ে নিজের কন্ট্রোল নিজের হাতে নিতে এই কাজগুলো আজই শুরু করো: ১. ঘুম থেকে উঠেই প্রথম ১ ঘণ্টা ফোন ধরা পুরোপুরি অফ করে দাও। এই সময়টা নিজের জন্য রাখো, দিনের প্ল্যানিং করো। ২. ফোনে সব অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন অফ করে রাখো। তোমার সময় তুমি কন্ট্রোল করবে, কোনো অ্যাপ না। ৩. টানা রিলস বা শর্টস দেখা বন্ধ করো। এর বদলে লং-ফর্ম পডকাস্ট শোনো বা বই পড়ো, ব্রেইনের অ্যাটেনশন স্প্যান অনেক বেড়ে যাবে।
-
এই পোস্ট পড়লে এবং এপ্লাই করলে আপনি ৯৯% মানুষের চেয়ে বেটারভাবে AI ইউজ করতে পারবেন! জিপিটিতে একটা Prompt দিলাম আর সে ম্যাজিক করে দিল, এই দিন কিন্তু শেষ। এখন যারা টপ ১% এ আছে, তারা এআই দিয়ে প্রোডাক্টিভিটি ১০ গুণ বাড়িয়ে নিচ্ছে কিছু টেকনিক ফলো করে। ১. এক টুল দিয়ে সব কাজ করার চিন্তা বাদ দিতে হবে। স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে পেরেক ঠোকেন না, তাই না? তেমনি সব কাজে শুধু চ্যাটজিপিটি ধরলেই হবে না। কোডিং বা লেখালেখিতে Claude ভালো। ইমেজ বা ভিডিওতে Gemini বা অন্য টুল। কোন কাজে কোন টুল মাঠ মারে, সেটা বোঝাটাই আসল স্কিল। ২. কনটেক্সট ছাড়া কাজ দিলে মনমতন আউটপুট আসবে না। Claude-কে বলতে পারেন, "এই কাজটা পারফেক্টলি করতে তোমার কী কী জানা দরকার? প্রশ্ন করো।" ও তখন কিছু কোয়েশ্চান করবে। আপনার আন্সার সে যে আউটপুটটা জেনারেট করবে, দেখবেন সেটা নেক্সট লেভেলের আউটপুট। ৩. বড় কাজ ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ফেললে বেটার। একসাথে পুরো বই লিখতে দিলে খিচুড়ি পাকাবেই। আগে আইডিয়া, তারপর আউটলাইন, তারপর ক্যারেক্টার, এভাবে ধাপে ধাপে করান। একবারে সব চাইলে লো কোয়ালিটি জিনিস পাবেন, এটা গ্যারান্টি। অর্থাৎ, স্টেপ বাই স্টেপ আউটপুট নিয়ে আসেন। ৪. AI আপনার এসিস্ট্যান্ট মাত্র। এআই যা দিল সেটাই ফাইনাল, এই ধারণা থেকে বের হতে হবে। ও একটা ড্রাফট দেবে, আপনি সেটা ঘষামাজা করবেন। "এটা সরাও," "ওটা যোগ করো," "অ্যাঙ্গেল বদলাও," এভাবে আপনি যখন ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টরের চেয়ারে বসবেন, তখনই ভালো কিছু বের হয়ে আসে। ৫. হ্যালুসিনেশন থেকে সাবধান। এআই অনেক সময় একদম ভুল তথ্য দেয়, তাও পুরো কনফিডেন্সের সাথে। তাই সিরিয়াস কোনো বিষয়ে ChatGPT, Claude, Perplexity তিনটাতেই একবার চেক করে নিন। আর যদি চান ও শুধু আপনার দেওয়া সোর্স থেকেই কথা বলুক, Notebook LM ট্রাই করুন। মনগড়া কিছু বলবে না, শুধু আপনার ফাইল থেকেই উত্তর দেবে। ৬. আমাদের মাথা যেমন হ্যাং হয়, এআই-এরও হয়। একই চ্যাটে অনেকক্ষণ কথা বললে সে কনফিউজড হয়ে যায়। যখন দেখবেন একই ভুল বারবার করছে বা ঠিকমতো বুঝছে না, সাথে সাথে সেই চ্যাট বন্ধ করে নতুন একটা খুলুন। ৭. সব কাজে সব মডেল পারফেক্ট না। যেমন হাল্কা হালকা কাজে Claude-এর Sonnet ইউজ করতে পারেন। কাজের জটিলতা বুঝে সঠিক মডেল বেছে নেওয়াটা নিজেই একটা বড় স্কিল।
-
-
AI কি আসলেই আমাদের সব কাজ করে দিতে পারবে? #ProgrammingHero #MachineLearning #AI #ArtificialIntelligence
-
৯৯% ফ্রেশার কাজ পারার পরও জব বা ভালো সুযোগ পায় না শুধু একটা কারণে -তারা নিজেকে প্রেজেন্ট করতে জানে না! আড়ালে বসে না থেকে, সবার নজরে আসতে আজ থেকেই এই ৩টা অভ্যাস গড়ো: ১. সোশ্যাল মিডিয়াকে শুধু মিমস দেখার জায়গা না বানিয়ে নিজের পোর্টফোলিও হিসেবে কাজে লাগাও। তুমি যা জানো, সেটা নিয়ে রেগুলার পোস্ট করো। ২. প্রফেশনাল ইমেইল লেখা আর টেক্সট করার ম্যানারগুলো শিখে নাও। "Hi/Hello" লিখে রিপ্লাইয়ের আশায় বসে থেকো না, এক মেসেজেই নিজের দরকারি কথা গুছিয়ে বলা শেখো। ৩. সফট স্কিলের দিকে ফোকাস করো। টিমওয়ার্ক, প্রবলেম সলভিং আর সুন্দর করে কথা বলার স্কিল তোমার ডিগ্রির চেয়েও বেশি কাজে দিবে।
-
150+ Placements in a Single Month! A Story of Defying the Odds. In the context and reality of our country, achieving any dream is quite challenging. Limited opportunities, fierce competition, and everyday hurdles like load-shedding or internet issues are always there. But those who remain steadfast toward their goals, overcoming all these obstacles, become our true inspiration. Those who patiently develop their skills amidst hundreds of adversities are the guiding lights of our future. A wonderful success story has been written through the combination of the students' tireless hard work and Team Programming Hero's intensive guidelines and support. We are thrilled to announce that, for the second time in the history of Programming Hero, a mega poster featuring 150+ students securing jobs and internships together has been published! 🎉 (This is the 3rd mega poster of Batch-12. Insha'Allah, we will see hundreds more success stories from this batch in the coming months.) 📊 A quick glance at the statistics of these 150+ achievers: 🌍 Success spread locally and globally: 🔹 In various companies in Bangladesh: 130 🔹 In international companies: 20 (India- 4, Pakistan- 3, USA- 2, South Korea- 2, Saudi Arabia- 2, China- 2. Besides these, 1 person each is working in companies in Germany, the UK, Vietnam, Australia, and Singapore). 💼 Job Types: 🔹 Full-Time Job: 72 🔹 Paid Internship: 35 🔹 Unpaid Internship: 30 🔹 Contractual Job: 13 🏢 Work Mode: 🔹 Office (On-site): 79 🔹 Remote: 64 🔹 Hybrid: 7 The most amazing part is while 83 of them are from a CSE background, the remaining 67 have come from completely Non-CSE backgrounds and secured their place in the IT sector through their indomitable merit and hard work! We never make unrealistic guarantees like 'Admission into Programming Hero's course guarantees a job or internship'. However, we can confidently say one thing: as long as you have the burning desire to work hard and the dedication to learn something new, our guidelines, support, and mentorship will remain right beside you like a shadow. Lots of love and best wishes to every successful student. May our youth continue to achieve their dreams like this! ❤️
-
দেশি ক্লায়েন্টের প্রজেক্ট তো অনেক হলো, এবার গ্লোবাল Remote Job-এর জন্য আপনি কি প্রস্তুত? বাসায় বসে বিদেশি কোম্পানির সাথে কাজ করা এবং ডলারে ইনকাম করা বর্তমানে অনেক ডেভেলপারেরই স্বপ্ন। কিন্তু লোকাল মার্কেট থেকে বের হয়ে গ্লোবাল মার্কেটে জায়গা করে নেওয়াটা খুব একটা সহজ কাজ নয়। গ্লোবাল কম্পিটিশনে টিকে থাকতে হলে নিজেকে একজন International Standard Developer হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কীভাবে করবেন এই ট্রানজিশন? চলুন জেনে নিই: ১. শুধু ফ্রেমওয়ার্কের বেসিক জানলে গ্লোবাল মার্কেটে টেকা কঠিন। আপনাকে Clean Code লিখতে পারতে হবে। Design Patterns, Testing, Data Structures, এবং System Architecture নিয়ে ভালো ধারণা থাকাটা একজন গ্লোবাল মানের ডেভেলপারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ২.বিদেশের মাটিতে আপনার GitHub-ই আপনার আসল Resume! নিয়মিত Contribution, প্রজেক্টের সুন্দর README ফাইল, এবং লাইভ প্রজেক্টের লিংক থাকা মাস্ট। এমন কিছু প্রজেক্ট শোকেস করুন যা রিয়েল-ওয়ার্ল্ড প্রবলেম সলভ করে। ৩.Remote Job-এর সবচেয়ে বড় শর্ত হলো স্ট্রং Communication। টিমের সাথে Daily Standup-এ নিজের আপডেট দেওয়া, ক্লায়েন্টের Requirement ঠিকমতো বুঝে নেওয়া এবং Bug বা ইস্যুগুলো ক্লিয়ারলি বুঝিয়ে বলার মতো English Fluency থাকা অত্যন্ত জরুরি। ৪. গ্লোবাল Recruiter-দের নজরে আসতে আপনার LinkedIn প্রোফাইল হতে হবে একদম প্রফেশনাল। নিজের Tech Stack, রানিং প্রজেক্ট এবং Learning Journey নিয়মিত শেয়ার করুন। গ্লোবাল ডেভেলপার কমিউনিটিতে কানেক্টেড থাকুন। ৫. রিমোট জবে কেউ আপনার মাথার উপর দাঁড়িয়ে থাকবে না। তাই Deadline মেইনটেইন করা এবং সেলফ-ম্যানেজমেন্টের স্কিল থাকাটা এখানে সবচেয়ে বেশি ম্যাটার করে। গ্লোবাল মার্কেটে সুযোগের কোনো অভাব নেই, প্রয়োজন শুধু সঠিক প্রস্তুতির এবং মাইন্ডসেটের। নিজেকে আপস্কিল করতে থাকুন, সুযোগ আপনার কাছেই ধরা দেবে। বর্তমানে কোন Tech Stack নিয়ে কাজ করছেন?
-
-
আগামী ২ বছরে ৯৯% জুনিয়র ডেভেলপারের ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে, যদি তারা AI কে ঠিকমতো ইউজ করতে না জানে। AI কে ভয় না পেয়ে, এই ৩টা উপায়ে কাজে লাগাও: ১. অন্ধের মতো কোড কপি-পেস্ট করা বন্ধ করো। AI যে কোডটা জেনারেট করেছে, সেটা লাইন-বাই-লাইন বোঝার ট্রাই করো। ২. AI কে রিপ্লেসমেন্ট না ভেবে, নিজের পার্সোনাল মেন্টর হিসেবে কাজে লাগাও। কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে বা এরর ফিক্স করতে প্রম্পট করো। ৩. নিজের কোর বেসিক স্ট্রং করো। AI কোড লিখে দিতে পারবে, কিন্তু সফটওয়্যার আর্কিটেকচার ও লজিক তোমাকেই ডিজাইন করতে হবে।