গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় মন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের এমপি মহোদয়কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ মাহমুদ আলী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের এমপি কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ মাহমুদ আলী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব আহম্মদ সোহেল মনজুর, এমপি মহোদয়কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ মাহমুদ আলী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব আহম্মদ সোহেল মনজুর, এমপি মহোদয়ের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ মাহমুদ আলী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় মন্ত্রী ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের বরণ অনুষ্ঠান গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও অধীনস্থ দপ্তরসমূহের দপ্তর প্রধানগণের সৌজন্য সভা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও অধীনস্থ দপ্তরসমূহের দপ্তর প্রধানগণের সৌজন্য সভা

সেবা সমূহ

সব দেখুন

বাজেট ও প্রকল্প

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন

মাননীয় মন্ত্রী

minister

জনাব জাকারিয়া তাহের এমপি

মাননীয় মন্ত্রী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

বিস্তারিত

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

minister

জনাব আহম্মদ সোহেল মনজুর এমপি

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

বিস্তারিত

সচিব

minister

জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম

সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে যোগদান করেন। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব পদে গত ৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে যোগদান করেন। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একাদশ ব্যাচের এ কর্মকর্তা ১৯৯৩ সালে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। চাকুরি জীবনের শুরুতেই সততা ও দক্ষতার পরিচয় দেয়ায় ১৯৯৫ সালে তিনি জেলা দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা হিসেবে প্রেষণে নিযুক্ত হন এবং প্রায় তিন বছর সে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া, তিনি মাঠ প্রশাসনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সচিবালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়; সচিবের একান্ত সচিব পদে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। এছাড়া তিনি বিল গেটস ফাউন্ডেশনের একটি প্রকল্পে ‘প্রকল্প সমন্বয়কারী’ পদে লিয়েনে দায়িত্ব পালন করেন।

মাঠ প্রশাসন, সচিবালয় ও উন্নয়ন প্রশাসনে অভিজ্ঞ একজন দক্ষ ও সম্ভাবনাময় কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করা সত্বেও অন্যায়ভাবে ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত তাকে পদোন্নতি বঞ্চিত রাখা হয়। এ সময়কালে বিভিন্ন পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে পদায়ন করা হয়। তথাপি তিনি আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পৌরসভার আর্থিক ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা আনয়ন, পৌরসভার আয় বৃদ্ধি ও পৌর এলাকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে পৌরসভার সেবাপ্রদান কার্যক্রমে গুণগত পরিবর্তন সাধন করেন। পরবর্তীতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালে তাঁকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে পদায়ন করা হয়। তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কার্যক্রমে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়নে ভূমিকা রাখেন। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব দক্ষতার সাথে পালন করেন। সচিব পদে পদোন্নতির পূর্বে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের রুটিন সচিব হিসেবে প্রায় তিন মাস দায়িত্ব পালন করেছেন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সার্বিক কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেছেন।

মোঃ নজরুল ইসলাম ১৯৬৭ সালের ৩১ জুলাই কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে স্নাতক ও পরবর্তীতে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ থেকে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি দেশে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ, আইন ও প্রশাসন প্রশিক্ষণ কোর্স, ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও বিএমএ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং মালয়েশিয়াতে এডুকেশনাল ম্যানেজমেন্ট ও ভারতে মিড ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত । তিনি দুই পুত্র এবং দুই কন্যা সন্তানের জনক।

বিস্তারিত

পরিচালক

minister

মোঃ মাহমুদ আলী

পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর

জনাব মোঃ মাহমুদ আলী বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের একজন সদস্য এবং বাংলাদেশ সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-২)। ০৯/০৭/২০২৪ তারিখে তিনি সংস্থা প্রধান (পরিচালক) হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরে যোগদানের অব্যবহিত পূর্বে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) এর সদস্য (গবেষণা ও প্রযুক্তি) (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জনাব মোঃ মাহমুদ আলী পাবনা জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজ হতে বিজ্ঞান বিভাগে যথাক্রমে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় উক্তীর্ণ হন। পরবর্তী সময়ে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) হতে যথাক্রমে নগর ও গ্রামীন পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতক (ব্যাচেলর) ডিগ্রী এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। সরকারি চাকুরির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ হতে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা।

দীর্ঘ চাকুরি জীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানী, জাপান, চীন, অষ্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত, মিশর এবং ইন্দোনেশিয়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার হতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করেছেন। এছাড়া, তিনি জার্মানীর ডর্টমুন্ড ইউনিভার্সিটি হতে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জনের লক্ষে জার্মান সরকার প্রদত্ত DAAD স্কলারশিপ লাভ করেন। পাশাপাশি তিনি একজন হেরিটেজ প্রেমিক, অভিযাত্রী, বহু-মাত্রিক গবেষক এবং লেখক। তিনি নগর পরিকল্পনা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং ই-গভর্নেন্স-সহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা কর্ম সম্পাদন করেছেন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নাল ও দৈনিক পত্রিকায় তাঁর শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

সুদীর্ঘ ১০বছর (২০১৪-২০২৩ সাল) জনাব মোঃ মাহমুদ আলীর বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহে ঘুরে বেড়ানো, তথ্য সংগ্রহ এবং গবেষণার চূড়ান্ত রূপ হলো “পূর্ববঙ্গের জমিদারবাড়ি” শিরোনামের একটি বই। যা ২০২৪ সালের অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া, ২০২৫ সালের অমর একুশে বইমেলায় “পূৰ্ববঙ্গে নীল চাষ ও নীল বিদ্রোহের ইতিহাস” এবং “সতীদাহ প্রথা এবং পূর্ববঙ্গের সতীদাহ মন্দির” শিরোনামের আরও দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বইসমূহ পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বিস্তারিত

হটলাইন নাম্বারসমূহ

সেবা সহজিকরণ

বাংলাদেশ ই-ডিরেক্টরি

জাতীয় সঙ্গীত

বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম