'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঢাকার কেরাণীগঞ্জে আঁটি খাল পরিদর্শন।

সর্বশেষ খবর

সেবা সমূহ

সব দেখুন

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা, ব্লু ইকোনমি ও ইস্তাম্বুল কর্মপরিকল্পনা

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন

minister

মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি
মাননীয় মন্ত্রী
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন রাজনীতিবিদ এবং লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের সাংসদ। তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি তৃতীয়বারের মতো এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভায় তিনি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব এর দায়িত্ব পালন করছেন।

মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১৯৬৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বাঞ্চানগর গ্রামে সম্ভ্রান্ত চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বসির উল্যা চৌধুরী যিনি লক্ষ্মীপুরের একজন বনেদী ব্যবসায়ী ছিলেন। তার মায়ের নাম হোসেনে আরা বেগম। তার দাদা হাজী পানা মিয়া ব্রিটিশ শাসনামলে চর কাদিরা ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। দুই চাচাতো ভাই সাহাবুদ্দিন চৌধুরী এবং চৌধুরী খোরশেদ আলম এক সময়ে লক্ষ্মীপুরের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। স্ত্রী পারভীন আক্তার চৌধুরী পেশায় একজন ব্যবসায়ী।

তিনি যথাক্রমে লক্ষ্মীপুর টাউন প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং লক্ষ্মীপুর প্রাইমারী ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ‍্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাশ করেন এবং সরকারি বিজ্ঞান কলেজ (তেজগাঁও, ঢাকা) থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। ১৯৮৫-১৯৮৬ শিক্ষাবর্ষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন এবং রসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৮৮ সালে এই বিভাগ থেকে অনার্স এবং ১৯৮৯ সালে এম.এস.সি ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডিপ্লোমা-ইন এডুকেশন সমাপ্ত করেন।

১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লক্ষ্মীপুরে মূসার খাল খনন কর্মসূচী পালনের মধ্য দিয়ে স্কুল জীবনেই এ্যানি চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সদস্য হন। পরবর্তীতে তিনি সরকারী বিজ্ঞান কলেজেও ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এবং ১৯৮৮ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে তিনি জিয়াউর রহমান হল ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালে তিনি সর্বোচ্চ ভোটে ডাকসুর সদস্য নির্বাচিত হন এবং ৩ বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ডাকসুর ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন। পরবর্তীতে, ১৯৯২ সালে তিনি ডাকসুর ভারপ্রাপ্ত ভিপি ও ভারপ্রাপ্ত সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক ও ১৯৯৩-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬-১৯৯৮ সালে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম বারের মত তিনি লক্ষ্মীপুর সদর - ৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লক্ষ্মীপুর সদর-৩ আসন থেকে দ্বিতীয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সাল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির সমন্বয়ক, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব এবং লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৩ সালে তিনি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো লক্ষ্মীপুর সদর - ৩ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। এ সময়ে বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

বিস্তারিত

minister

ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

বিস্তারিত

minister

ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন
সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়



ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদান করেন। তিনি বিসিএস ১৫তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পূর্বে তিনি জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমি (নাডা)-তে রেক্টর (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্মসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। মাঠ প্রশাসনে সহকারী কমিশনার, সিনিয়র সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে প্রায় ১৮ বছর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায়ও কাজ করেছেন।

জনাব শাহাবুদ্দিন পরিবেশ বিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় বি.এসসি (সম্মান) এবং এম.এসসি ডিগ্রি লাভ করেন এবং যথাক্রমে প্রথম শ্রেণীতে চতুর্থ ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যে গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে নয় মাসের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। পেশাগত কর্মজীবনে তিনি দেশে এবং বিদেশে উন্নয়ন প্রশাসন, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বিদেশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মশালা, দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও নেগোশিয়েশনে অংশগ্রহণ করেন।



জনাব শাহাবুদ্দিন দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার লক্ষ্য হলো নিষ্ঠার সাথে জনগণকে উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনপ্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।



ব্যক্তিগত জীবনে জনাব শাহাবুদ্দিন বিবাহিত এবং এক পুত্র ও এক কন্যার গর্বিত পিতা।

বিস্তারিত

বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম

সরকারি কর্মচারী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (GEMS)

জাতীয় সঙ্গীত

ইনোভেশন কর্নার